সোমবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১০
এই সাইটে খোঁজ করুন
পোর্টাল হোম arrow নাগরিক সেবা arrow স্বাস্থ্য ব্যবস্থা
স্বাস্থ্য ব্যবস্থা
health111.jpg

স্বাস্থ্য ব্যবস্থা


গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ
স্বাস্থ্য মানব উন্নয়ন পরিমাপের একটি বিশ্বজনীন সূচক। বাংলাদেশের সংবিধান স্বাস্থ্যসেবা পাওয়াকে রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ২০১৫ সালের মধ্যে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে। 

দেশে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন স্থানীয় উদ্যোক্তা, বেসরকারি সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা পরিচালিত হয়ে থাকে। কেন্দ্র থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত নীতি প্রণয়ন, পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত নেবার দায়িত্ব  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের। এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে চারটি অধিদপ্তর - স্বাস্থ্য অধিদপ্তর , পরিবার কল্যাণ অধিদপ্তর , সেবিকা সেবা অধিদপ্তর , ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর – তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে থাকে।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ স্বাস্থ্যখাতে প্রভূত উন্নতি সাধন করেছে। দেশের সকল মানুষ, বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী যাতে উপকৃত হয়, সে লক্ষ্যে সরকার জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন করেছে। সরকারের সামগ্রিক উন্নয়ন নীতিতে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাতে মূল লক্ষ্য হল - স্বাস্থ্য, পুষ্টি, প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে জনগণের উন্নতি সাধন। যাতে করে সমাজের সবচেয়ে ঝূঁকিপূর্ণ অংশ অর্থাৎ নারী, শিশু, প্রবীণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তি এবং শারীরিক, সামাজিক, মানসিক ও আত্মিক কল্যাণ সাধিত হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রলায়ের অধীনে সরকার প্রণীত জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি , জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নীতি এবং জাতীয় জনসংখ্যা নীতি বাস্তবায়িত হয়ে থাকে। 
      
বেসরকারি সংস্থাসমূহ শহর ও গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাতে উল্লেখযোগ্য কাজ করছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে থাকে। সম্প্রতি এসব সংস্থা তাদের সেবার পরিধি বিস্তৃত করেছে এবং শহরাঞ্চলেও প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছে।     
 
দেশে স্বাস্থ্য খাতের একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হল জাতীয় ঔষধ নীতি। ১৯৮২ সাল থেকে কার্যকর হওয়া এই নীতির কাজ হল বাজার থেকে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ অপসারণ করে সকল ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ঔষধের ন্যায্যমূল্যে প্রাপ্তি নিশ্চিত করা। এই নীতির ফলে বাংলাদেশের ঔষধ শিল্প বিকাশ লাভ করেছে। এই নীতি সংশ্লিষ্ট বিভাগকে প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামোও দিয়ে থাকে।  
                 
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কয়েকটি সূচকে উন্নতি প্রয়োজন। এগুলো হল জন্মহার হ্রাস, অনূর্ধ ৫ বছর বয়সীদের মৃত্যু হার হ্রাস, মা ও শিশুদের টিকাদান, ভিটামিন-‘এ’ স্বল্পতা দূরীকরণ ইত্যাদি। এ লক্ষ্যে নানা রকম কর্মসূচী ও কার্যক্রম চালু রয়েছে।

 

গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ

# জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি
# জাতীয় ঔষধনীতি
# জাতীয় জনসংখ্যা নীতি
# স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
# পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
# ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর
# ঔষধ নিয়ণ্ত্রন অধ্যাদেশ, ১৯৮২
# জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেণ্দ্র
# পরিবার ও জনস্বাস্থ্য
# বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা
বাংলাদেশকে জানুন
প্রাকৃতিক রূপবৈচিত্র্যে ভরা আমাদের এই বাংলাদেশ। এই দেশে পরিচিত অপরিচিত অনেক পর্যটক-আকর্ষক স্থান আছে। এর মধ্যে প্রত্মতাত্বিক নির্দশন, ঐতিহাসিক মসজিদ এবং মিনার, পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত, পাহাড়, অরণ্য ইত্যাদি অন্যতম। এদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে। বাংলাদেশের প্রত্যেকটি এলাকা বিভিন্ন স্বতন্ত্র্র বৈশিষ্ট্যে বিশেষায়িত।
ভিডিও