বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
  • ৪ পৌষ, ১৪২৪
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

এক হাজার শয্যার বঙ্গবন্ধু সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নির্মিত হচ্ছে


প্রকাশন তারিখ : 2017-02-20

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন এক হাজার শয্যার সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল স্থাপনের কাজ চলছে। এর নামকরণ হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তর দিকে ১২ বিঘা জমির ওপর এ হাসপাতাল নির্মিত হচ্ছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বাসস’কে এ কথা জানান।
তিনি বলেন, এই হাসপাতাল নির্মাণে ব্যয় হবে এক হাজার তিনশ’ কোটি টাকা। তিন বছরের মধ্যে এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে। ইতোমধ্যে এর প্রায় ৬ মাস সময় অতিবাহিত হয়েছে।
এদিকে আজ সকালে এই হাসপাতালের নকশা চূড়ান্তকরণে অনুষ্ঠিত সভায় নকশার প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান।
তিনি বলেন, এই বিশেষায়িত হাসপাতালে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা সেবা প্রদান এবং গবেষণার ব্যবস্থা থাকবে। এতে থাকবে লিভার গল ব্লাডার ও প্যানক্রিস সেন্টার, অরগান ট্রান্সপ্লান্ট সেন্টার, ক্যান্সার সেন্টার, ম্যাটারনাল এবং চাইল্ড হেলথ কেয়ার সেন্টার, ডেন্টাল সেন্টার, কারডিও ভাসকুলার/নিউরোসার্জারি সেন্টার, এনড্রোক্রাইনোলজি ডায়াবেটিস সেন্টার, রেসপাইরেটরি সেন্টার, জেরিআট্রিক (বয়স্কদের চিকিৎসা) সেন্টার, জয়েন্ট/স্পাইন কর্ড সেন্টার, হার্ট সেন্টার, বার্ন ইনজুরি সেন্টার, হেলথ স্ক্রিনিং সেন্টার, ইমারজেন্সি মেডিক্যাল সেন্টার, এমবুলেটরি সার্জারি সেন্টার এবং কিডনি মেশিন সেন্টার (হিমোডায়ালাইসিস সেন্টার)।
তিনি বলেন, বিশেষায়িত হাসপাতালটি একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণা কেন্দ্র হবে এবং এখানে সব ধরনের গবেষণার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকবে। বর্তমানে যেসব পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য বিদেশে যেতে হয় এই হাসপাতালটি নির্মিত হলে দেশেই সেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা সম্ভব হবে। দেশে উন্নতমানের চিকিৎসা শিক্ষা ও অত্যাধুনিক পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা, বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ এবং জনগণের জন্য উচ্চমানসম্পন্ন স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ হাসপাতালটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। হাসাপাতালটি চালু হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, চিকিৎসা ও গবেষণা কার্যক্রম আরো গতিশীল ও উন্নত হবে। দেশের রোগীদের বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেয়ার প্রবণতা হ্রাস পাবে; সর্বোপরি তুলনামূলক সাশ্রয়ী বা স্বল্প ব্যয়ে দেশেই উন্নত চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হবে।
২০১৬’র ২ ফেব্রুয়ারি একনেক সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল নামের প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়।