বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
  • ৪ মাঘ, ১৪২৪
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২nd জানুয়ারি ২০১৮

আগামী তিন বছরে ৩ হাজার প্রতিবন্ধীকে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে


প্রকাশন তারিখ : 2018-01-02

সরকার প্রতিবন্ধীদেরকে বিনামূল্যে আইটি প্রশিক্ষণ প্রদান করার ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
তিনি বলেন, আগামী তিন বছরে ৩ হাজার প্রতিবন্ধীকে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। ইতোমধ্যে সরকার ৭টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত ৫শ’ ১১ জন প্রতিবন্ধীকে আইটি প্রশিক্ষণ দিয়েছে।
সোমবার সকালে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) আয়োজিত প্রতিবন্ধীদের জন্য আয়োজিত চাকুরী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, প্রতিবন্ধীতা কোন বাধা নয়, এটা চ্যালেঞ্জ। শুধু একটু বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ এবং ব্যক্তি-পরিবার-রাষ্ট্রের সহযোগিতা পেলে তারা শুধু নিজেকেই জয় করে না, বদলে দেয় পুরো পৃথিবী, হয়ে ওঠেন পুরো পৃথিবীর অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। শেখ হাসিনার সরকার তাদেরকে সহযোগিতা করতে বদ্ধপরিকর।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের চেতনাকে আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টার তত্ত্বাবধানে একটি অন্তর্ভূক্তিমূলক সমাজ গঠনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছি। আমরা বিশ্বাস করি প্রতিবন্ধিরা অজেয় নয়। তাদেরকে একটু সহযোগিতা করলে তাঁরাও এই পৃথিবীটাকে বদলে দিতে পারে।
উল্লেখ্য,আজ প্রতিবন্ধীদের জন্য ‘কথা বলতে চাই’ নামে একটি যোগাযোগ অ্যাপের উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব পার্থ প্রতিম দেব, সিএসআইডি’র নির্বাহী পরিচালক খন্দকার জহুরুল আলম প্রমুখ।
পরে প্রতিমন্ত্রী চাকুরী মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন। ২০১১ সাল হতে বিসিসি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ পরিচালনা করে আসছে।
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আইসিটি প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি প্রশিক্ষিত জনবলের কর্মসংস্থানের জন্য আইসিটি বিভাগ চাকুরী দাতা প্রতিষ্ঠান ও প্রার্থীদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের ব্যবস্থা করে থাকে। এজন্যই বিসিসি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য চাকুরী মেলার আয়োজন করে আসছে। বিগত ৩ আয়োজনের মধ্যে প্রথমবারের মেলায় ১০টি প্রতিষ্ঠান অংশ এবং ৩২ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়। ২০১৬ সালের দ্বিতীয় চাকুরী মেলায় ১২টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে এবং ৬০ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়। ২০১৭ সালে ১৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয় এবং ১১৫ জনের কর্মসংস্থান হয়। এবারের মেলায় ১৭টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।