বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
  • ১ পৌষ, ১৪২৪
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৯ মার্চ ২০১৭

কক্সবাজারকে ডিজিটাল সার্ফিং সিটি ঘোষণা


প্রকাশন তারিখ : 2017-03-19

কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল সার্ফিং সিটি হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষনা দিয়েছেন তথ্য, যোগাযোগও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। বাংলাদেশ সার্ফিং এসোসিয়েশনের (বিএসএ) ব্যবস্থাপনায় এবং দেশের শীর্ষ স্থানীয় চিকিৎসা সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ল্যাবএইড-এর পৃষ্ঠপোষকতায় দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত জাতীয় ক্লাব কাপ সার্ফিং টুর্নামেন্টের ফাইনালে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত থেকে এদিন তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজারকে ডিজিটাল সাফিং সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা তিন দফায় কাজ করবো। পৃষ্ঠপোষক কোম্পানীগুলোর সহায়তায় আধুনিক সার্ফিং ট্রেনিং সেন্টার গড়ে তুলবো। যা হবে বিশ^মানের একটি ট্রেনিং সেন্টার। যেখানে থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।’ আগামী ৪/৫ বছরের মধ্যেই এর বাস্তবিক রুপ দেখছেন জুনায়েদ আহমেদ পলক। ক্ষুদে এবং বড় সার্ফারদের নৈপুণ্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি সার্ফারদের উৎসাহিত করেন। সার্ফিং ক্লাবগুলোকে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করেন। পাশাপাশি সার্ফিং এসোসিয়েশনকে সকল ধরনের সহায়তা প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দেন। পর্যটকদের সুবিধার্থে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত এলাকাকে ফ্রি ওয়াই-ফাই জোন করার ঘোষণাও দেন তিনি।
এছাড়া অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি পৃষ্টপোষক কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা: এ এম শামীম সার্ফিংয়ের জন্য সকল ধরনের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন। সার্ফারদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলারও কথাও ঘোষণা দেন। গরীব সার্ফারদের সার্ফিংয়ের পাশাপাশি লেখা-পড়া ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের আশ^াস দেন তিনি।
বাংলাদেশ সার্ফিং এসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী কাজী ফিরোজ রশিদ এমপি বলেন, কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সহায়তায় আমরা ত্রিশ শতাংশের এক খন্ড জমি সরকারের কাছ থেকে নিয়ে সেখানে আধুনিক একটি ট্রেনিং সেন্টার করতে চাই। আমাদেরকে যদি সার্ফিংয়ের জন্য কিছু জায়গা নির্ধারণ করে দেয়া হয় তাহলে আমরা স্থায়ী ভাবে কয়েকটি টাওয়ার গড়ে তুলতে চাই। তিনিও সার্ফিং ক্লাবগুলোকে পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করার ঘোষণা দেন।
এদিন পর্যটন নগরী সমুদ্র সৈকতের লাবনী পয়েন্টে হুমড়ি খেয়ে পড়েন সার্ফিং অনুরাগীরা। সার্ফারদের নৈপুণ্য যেন তাদের মধ্যে এনে দিয়েছে বাড়তি আবেদন। এই প্রথম সার্ফিং অনুরাগীরা মনভরে দেখলেন সৈকত্যের এই জলখেলা।
প্রতিযোতিায় চারটি ইভেন্টে মোট ১৩০ জন প্রতিযোগি অংশ নেন। এতে পুরস্কার জিতেছেন ১২ জন প্রতিযোগী। চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যৌথ ভাবে ওয়েব ফাইটার সার্ফিং ক্লাব এবং সার্ফার ক্লাব। রানার আপ হয়েছে গার্লস এন্ড বয়েজ সার্ফিং ক্লাব। বিজয়ী সার্ফাররা হলেন- সিনিয়র পুরুষ নাসির,কামাল ও কামরুল। জুনিয়রে পুরস্কার জিতেছে মান্নান, সেলিম ও ইউনুস। বিগেইনার পুরস্কার জিতেছেন সিরাজ হোসেন, রিয়াজ ও ফারুক। গার্লস পুরস্কার জিতেছেন ফাতিমা,তাসনুর ও তাসমিন।
অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার জেলার এডিসি মো: আব্দুর রহমান, বিএসএ সহ-সভাপতি জামাল রান, সাধারন সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরি, কোষাধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম লিটন, সদস্য কামরুল হাসান, কামরুজ্জামান হিরু, বদরুল আলম চৌধুরী।
সিনিয়র বিভাগ, জুনিয়র বিভাাগ, নারী ও বিগেইনার এই চারটি ইভেেেন্ট টুর্নামেন্টে অংশ গ্রহনকারী ১০টি দল হচ্ছে কলাতলী সার্ফ ক্লাব,ওয়েব রাইডার সার্ফ ক্লাব, ওশান সার্ফ, ফ্রিডম সার্ফ, টাইগার্স সার্ফিং, ওয়েবফাইটার সার্ফ ক্লাব, বাংলাদেশ সার্ফ গার্লস এন্ড বয়েজ, সেন্তী সার্ফ, সারফার্স ক্লাব ও সার্ফিং লাইফ সেভিং ক্লাব।