বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
  • ৬ কার্তিক, ১৪২৪
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৮ জানুয়ারি ২০১৭

অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে


প্রকাশন তারিখ : 2017-01-28

বাংলাদেশকে বিনিয়োগের কেন্দ্র এবং রপ্তানি কেন্দ্রিক দেশ হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সারা দেশে ১শ’টি অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড) প্রতিষ্ঠার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) পরিচালক (প্রশাসন) ড. দেওয়ান মো. হুমায়ুন কবির বাসসকে জানান, ‘এই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সরকার ১৫ হাজার ৫২৮ একর ভূমি অধিগ্রহণ করেছে এবং চলতি বছরের মধ্যে আরো ২০ হাজার একর ভূমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে।’
তিনি আরো বলেন, ১শ’টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে ৭৪টির অবকাঠামো উন্নয়ন, জমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন, ডেভেলপার নিয়োগ এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
হুমায়ুন কবির জানান, সুপরিকল্পিত ও সুসমন্বয়ের মাধ্যমে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহের উন্নয়ন কাজ চলছে। তিনি আরো জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিনিয়োগের জন্য এই অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো প্রস্তুত করতে সরকার বেসরকারি খাতের বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করছে।
হুমায়ুন কবির বলেন, সরকার বিনিয়োগকারীদের জন্য ঝুট-ঝামেলা মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের আওতায় গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহসহ প্রয়োজনীয় নীতিগত ও আর্থিক সহায় প্রদান করছে এবং সকল প্রকার বাধা-বিপত্তি অপসারণে ইতোমধ্যে দরকারি আইন ও বিধি-বিধান প্রণয়ন করেছে।
তিনি আরো বলেন, এই সব অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সরকার আয়কর বিদ্যুৎ ও স্থানীয় কেনা-কাটার ওপর ভ্যাট, স্ট্যাম্প শুল্ক ও ডিডিডেন্ড করের ওপর রেয়াতসহ বিভিন্ন প্রণোদনা ও সুযেগা-সুবিধা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
সরকার এক কোটিরও বেশি লোকের কর্মসংস্থার সৃষ্টি ও রপ্তানি আয় বাড়ানোর পাশাপাশি আরো বেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে ৭৫ হাজার একর জমির ওপর ২০৩০ সাল নাগাদ সারাদেশে ১শ’টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল এ্যাক্ট-২০১০ এর আওতায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বিইজেড) প্রতিষ্ঠা করেছে।
অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহ প্রতিষ্ঠায় বিইজেডএ নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালন করছে উল্লেখ করে কবির বলেন, এসব ইজেড-এর উন্নয়নে বিইজেডএ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) আওতায় ডেভেলপার নিয়োগ করছে। সরকারের কাছ থেকে লাইসেন্স নিয়ে বেসরকারি খাতও ইজেড প্রতিষ্ঠা করছে।