বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
  • ৪ পৌষ, ১৪২৪
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

গার্মেন্টস কারখানা সংস্কারে সহযোগিতা করতে বিভিন্ন ব্রান্ড ও ক্রেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহবান


প্রকাশন তারিখ : 2017-02-26

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন ব্রান্ড ও ক্রেতাগণকে গার্মেন্টস শিল্প মালিকদের কারখানাগুলোর সংস্কার কার্যক্রমে সহযোগিতার আহবান জানিয়েছেন।
বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে সরকার স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন। এ ব্যাপারে বিভিন্ন ব্রান্ড ও ক্রেতাগণ সহায়তা করতে পারেন। সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার সোনারগাঁও হোটেলে দ্বিতীয় ঢাকা অ্যাপারেল সামিট ২০১৭’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিশ্ব বাজারে আমাদের পণ্যসামগ্রীর চাহিদা কীভাবে বাড়ানো যায়, সে ব্যাপারে আমাদের কাজ করতে হবে। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। এজন্য আপনাদের সহযোগিতা চাই।’
২০১৪ সালের প্রথম অ্যাপারেল সামিটের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক এবং রপ্তানীকারক সমিতি (বিজিএমইএ) দিনভর এই দ্বিতীয় অ্যাপারেল সামিটের আয়োজন করে।
২০২১ সালের মধ্যে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানীর লক্ষ্যমাত্রা ৫০ বিলিয়ন ডলার অর্জনে কর্মপন্থা প্রণয়ণ এবং তৈরি পোশাক খাতকে একটি টেকসই উন্নয়ন খাত হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- ’টুগেদার এ বেটার টুমরো।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, শ্রম ও কর্ম সংস্থান মন্ত্রী মুজিবুল হক এবং বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেলিগেশন প্রধান রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়েদুন।
বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন এবং সিনিয়র সহ-সভাপতি মাইনুদ্দিন আহমেদ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টরের অগ্রগতি নিয়ে একটি ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত হয়।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকতৃাবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের হাইকমিশনার ও রাষ্ট্রদূতবৃন্দ, কূটনৈতিক মিশনের সদস্যবৃন্দ, দাতা সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ এবং তৈরি পোশাক খাতের দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলনে, পোশাক শল্পিকে নরিাপদ করার জন্য আর্ন্তজাতকি র্পযায়ে বশেকছিু উদ্যোগ নয়ো হয়। গৃহীত উদ্যোগরে আওতায় ইতোমধ্যে ৩ হাজার ৮৬৯টি কারখানা পরর্দিশন করা হয়ছে।ে
তনিি বলনে, এগুলোর মধ্যে মাত্র ৩৯টি কারখানায় ত্রুটি পাওয়া গছেে এবং সগেুলো বন্ধ করে দয়ো হয়ছে।ে অবশষ্টি কারখানাগুলোতে নরিাপত্তা উন্নয়নে সংস্কার র্কাযক্রম চলছ।ে
প্রধানমন্ত্রী বলনে, ‘বজিএিমইএ, সরকার, দশেীয় ও আর্ন্তজাতকি সংস্থাসমূহ, উন্নয়ন সহযোগী সবাই মলিে একটি নরিাপদ ও টকেসই শল্পি গড়ার পথে এগয়িে যাচ্ছ।ি
পুরাতন বাজাররে ওপর নর্ভিরশীল না থকেে শল্পি উদ্যোক্তাদরে নতুন নতুন বাজার খুঁজে বরে করে রপ্তানী বৃদ্ধরি আহবান জানয়িে প্রধানমন্ত্রী বলনে, ‘আমাদরে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করতে হলে পণ্যরে বচৈত্রি এবং পণ্যরে বাজার সম্প্রসারণ করতে হব।ে’
প্রধানমন্ত্রী বলনে, ‘আমাদরে রপ্তানি মূলত উত্তর আমরেকিা এবং পশ্চমি ইউরোপরে কয়কেটি দশে-নর্ভির। রপ্তানরি ক্ষত্রেে এমন পরস্থিতিি ভালো না। আমাদরে রপ্তানযিোগ্য পণ্যরে তালকিা বৃদ্ধরি অনকে সুযোগ রয়ছে।ে পাশাপাশি আমাদরে নতুন নতুন দশেে রপ্তানরি সুযোগ তরৈি করতে হব।ে এ ব্যাপারে আমি রপ্তানকিারকদরে আরও মনোযোগী হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছ।ি’
প্রধানমন্ত্রী বলনে, ‘আপনারা এগয়িে আসুন, সরকার সব ধরনরে সহায়তা দবে।ে’
শখে হাসনিা বলনে, পোশাকশল্পি দশেরে র্অথনতৈকি উন্নয়নরে অন্যতম চালকিাশক্ত।ি দশেরে রপ্তানি আয়রে প্রায় ৮০ শতাংশই আসে এই খাত থকে।ে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৪০ লাখ শ্রমকিরে র্কমসংস্থানরে ব্যবস্থা হয়ছেে এ খাত।ে যার মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই নারী। পরোক্ষভাবে প্রায় চার কোটরিও বশেি মানুষ এ শল্পিরে উপর নর্ভিরশীল।
তনিি বলনে, পোশাকশল্পিরে উন্নয়ন ও বকিাশ, বশিষে করে এর আর্ন্তজাতকি বাজার সম্প্রসারণে বজিএিমইএ অগ্রণী ভূমকিা পালন করে আসছ।ে পাশাপাশি আমার সরকারও প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা এবং প্রণোদনা দয়িে যাচ্ছ।ে
প্রধানমন্ত্রী বলনে, র্দীঘদনিরে দাবি অনুযায়ী আমরা বজিএিমই’কে স.িও ইস্যু করার ক্ষমতা প্রদান করছে।ি পোশাকশল্পিরে র্স্বাথে বজিএিমইএ ইউনভর্িাসটিি অব ফ্যাশন এন্ড টকেনোলজি স্থাপনরে চূড়ান্ত অনুমোদন দয়ো হয়ছে।
শখে হাসনিা বলনে, টকেসই উন্নয়নরে জন্য পোশাকশল্পি সর্ম্পকতি মন্ত্রসিভা কমটিওি গঠন করা হয়ছে।ে
সরকার প্রধান বলনে, তাঁর সরকার ২০১৪ সালে তৃতীয় ময়োদে সরকার গঠন করার পর থকেে পোশাকশল্পিরে র্স্বাথে বশেকছিু পদক্ষপে গ্রহণ করছে।ে যার মধ্যে রয়ছে-ে এ শল্পিে অগ্রমি আয়কর ১ দশমকি ৫০ শতাংশ থকেে কময়িে দশমকি ৭ শূন্য শতাংশ করা এবং তরৈি পোশাকশল্পিে র্কপোরটে কররে হার ৩৫ শতাংশ থকেে কময়িে ২০ শতাংশ করা হয়ছে।ে
‘নরিাপদ র্কমপরবিশে সৃষ্টরি জন্য রপ্তানমিুখী পোশাকশল্পিে প্র-িফব্রেকিটেডে বল্ডিংি-এর কাঁচামাল ও অগ্নÑিনর্বিাপক যন্ত্রপাতরি আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়ছে,ে’ উল্লখে করনে প্রধানমন্ত্রী।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সকল পোশাক রপ্তানতিে ‘০’ দশমকি ২৫ শতাংশ হারে বশিষে প্রণোদনা এবং পোশাক শ্রমকিদরে ন্যূনতম মজুরি ৩ হাজার টাকা থকেে বৃদ্ধি করে ৫ হাজার ৩শ টাকা করার কথাও উল্লখে করনে।
মালকি-শ্রমকি সর্ম্পক উন্নয়নে সরকাররে পদক্ষপে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলনে, তার সরকার শ্রমকি-মালকি সৌর্হাদ্যর্পূণ সর্ম্পক স্থাপন, শ্রমকিদরে আইনগত অধকিার নশ্চিতিকরণ এবং শ্রম কল্যাণে বহুবধি র্কমসূচি যমেন-শ্রমকল্যাণ ফাউন্ডশেন এবং রপ্তানমিুখী শল্পিে র্কমরত শ্রমকিদরে জন্য কল্যাণ তহবলি গঠনরে উদ্যোগ নয়িছে।ে
এ সময় প্রধানমন্ত্রী- কল-কারখানা ও প্রতষ্ঠিান পরর্দিশন অধদিপ্তরকে শক্তশিালীকরণ, ন্যূনতম মজুরি কমশিন শক্তশিালী করা, রপ্তানি প্রক্রয়িাজাতকরণ অঞ্চলে শ্রমকিদরে ইউনয়িন করার অধকিার প্রদান, শ্রম আইন সংশোধন এবং শ্রম বধিমিালা জাররি মাধ্যমে শ্রমকিদরে অধকিার সংরক্ষণরে ব্যবস্থাসহ পোশাক শল্পি এলাকায় নরিাপত্তা প্রদানরে জন্য ইন্ডাস্ট্রয়িাল পুলশি গঠনরে পদক্ষপেরে কথাও তুলে ধরনে।
‘পোশাকশল্পিরে উদ্যোক্তারা যাতে ২ শতাংশ সুদে ঋণ নয়িে শ্রমকিদরে জন্য নজিস্ব জমতিে ডরমটিরি স্থাপন করতে পারনে, সে ব্যবস্থাও করে দয়িছে,ি’ উল্লখে করনে প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় দশেরে র্আথ-সামাজকি উন্নয়নরে খন্ডচত্রি তুলে ধরে বলনে, র্আথ-সামাজকি উন্নয়নে বাংলাদশে এখন বশ্বিে ‘রোল মডলে’। গত বছর ৭ দশমকি ১ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি র্অজতি হয়ছে।ে বদৈশেকি মুদ্রার রজর্িাভ ৩২ বলিয়িন ডলার ছাড়য়িে গছে।ে রপ্তানি আয় ৩৪ দশমকি ২৪ বলিয়িন ডলারে পৌছছে।ে গত ৮ বছরে ৫ কোটরিও বশেি মানুষ ন¤িœবত্তি থকেে মধ্যবত্তিে উঠে এসছে।ে র্বতমানে মাথাপছিু আয় ১,৪৬৬ ডলার। মট্রেোরলে ও বআিরটি প্রকল্পরে কাজ চলছ।ে
তনিি বলনে, জয়দবেপুর- ময়মনসংিহ ও ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ৪-লনেে উন্নীত করা হয়ছে।ে ২০১৮ সালে পদ্মা সতেুতে যানবাহন চলব।ে
শখে হাসনিা বলনে, সারাদশেে বশিষে র্অথনতৈকি অঞ্চল প্রতষ্ঠিার কাজ চলছ।ে ঢাকায় ও চট্টগ্রামে ২টি বশিষে র্অথনতৈকি অঞ্চল বজিএিমইএ’কে দয়ো হব।ে ৪-লনে বশিষ্টি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ৬-লনেে উন্নীত করার বষিয়টি আমাদরে পরকিল্পনায় রয়ছে।ে
সরকার প্রধান বলনে, এ্যাপারলে সামটি-২০১৭ চলাকালে বশে কছিু অধবিশেনরে আয়োজন করা হয়ছে।ে আমি আশা কর,ি এসব অধবিশেন থকেে প্রাপ্ত সুপারশিগুলো একটি উন্নততর বাংলাদশে গড়ার পথে আমাদরে আরও একধাপ এগয়িে নয়িে যাব।ে