বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
  • ১৪ অগ্রহায়ণ, ১৪২৮
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩০ জানুয়ারি ২০১৭

বিনিয়োগ ও উৎপাদন সহায়ক সতর্ক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক


প্রকাশন তারিখ : 2017-01-30

বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য বিনিয়োগ ও উৎপাদন সহায়ক সতর্ক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে।
রোববার বাংলাদেশ ব্যাকের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর ফজলে কবির।
চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতিতে জুন ২০১৭ পর্যন্ত বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। যা প্রথমার্ধের মুদ্রানীতিতে উল্লেখ ছিল। এছাড়াও অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবৃদ্ধি অপরিবর্তিত রেখে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ। সরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ দশমিক ১ শতাংশ, জিডিপি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ২ শতাংশ এবং অর্থবছর শেষে গড় মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। গভর্নর বলেন, প্রথমার্ধের জন্য অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রবৃদ্ধি ১৫ দশমিক ৭ শতাংশ এবং ব্যক্তিখাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি ১৬ দশমিক ৬ শতাংশ ধরা হয়েছিল। এর বিপরীতে গত নভেম্বর পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ১২ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ব্যক্তিখাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ১৫ শতাংশ। মুদ্রা ও ঋণ প্রবাহের যৌক্তিক লক্ষ্যমাত্রা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অবদান রেখেছে উল্লেখ করে গভর্নর ফজলে কবির বলেন, ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত গড় বার্ষিক ভোক্তা মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বসীমা ধরা হয়েছিল ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। এর বিপরীতে গত ডিসেম্বর শেষে গড় মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫২ শতাংশ। বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ হ্রাস পাওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি কমিটি গঠন সহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলে গভর্নর উল্লেখ করেন।

মুজিব১০০ আ্যাপ

মাস্ক পরুন সেবা নিন